বাংলাদেশ আর কখনো কোনো দেশের ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ বা পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বড় অর্জন হলো দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই বছর আগের পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিদেশে অবস্থানকালেও দেশের শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি, তৎকালীন সরকারের দমন-পীড়ন এবং দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধের মতো নজিরবিহীন ঘটনাগুলো তারা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তিই হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বাংলাদেশ আর কখনো অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে না, বরং নিজের স্বার্থকেই সবার আগে প্রাধান্য দেবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়ের প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় এই ‘অসম্ভব মিশন’ জয় করা সম্ভব হয়েছে। এটি মূলত নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের সমন্বিত ও নিরলস প্রচেষ্টারই ফসল।