বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারের চোখ রাঙানি ছিল অস্ট্রেলিয়ার সামনে। তবে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অজিরা। প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান সংগ্রহ করেছে। এর ফলে ১৫ রানের একটি লিড নিয়ে স্বাগতিকরা মধ্যাহ্ন বিরতিতে যেতে সক্ষম হয়েছে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৯৮ রান করেছিল, যার জবাবে বাংলাদেশ ৪২৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২২৮ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। স্টিভেন স্মিথ ৪৪ রান এবং ক্যামেরন গ্রিন ফিফটি হাঁকালেও দলের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে হারের শঙ্কা কাটছিল না।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ১৬১ রান। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে তাদের প্রয়োজন ছিল আরও ৬৭ রান। সকালে মেহেদী হাসান মিরাজ দুর্দান্ত বোলিং করে ৩টি উইকেট তুলে নিলে অজিদের ওপর চাপ আরও বাড়ে। কামিন্সের উইকেট পড়ার সময়ও স্বাগতিকরা ইনিংস ব্যবধানে হার থেকে ২১ রান পিছিয়ে ছিল।
অবশেষে ক্যামেরন গ্রিনের দৃঢ়তায় অস্ট্রেলিয়া সেই হার এড়াতে সক্ষম হয়। গ্রিন বর্তমানে ৮৫ রানে অপরাজিত আছেন এবং তার সঙ্গে ক্রিজে থাকা মিচেল স্টার্ক ১৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। যদিও ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ানো সম্ভব হয়েছে, তবুও হারের শঙ্কা এখনো কাটেনি। বিরতির পর অস্ট্রেলিয়া দ্রুত অলআউট হয়ে গেলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা একেবারেই কম হয়ে যাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।