পাকিস্তান সরকার বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছে যে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বিদেশে পাঠানো হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটির সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী সিনেটের এক উত্তপ্ত অধিবেশনে এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক আদালতের আদেশের সুবিধা শুধুমাত্র একজন নির্দিষ্ট বন্দি নাকি সব বন্দির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার জন্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। ফজল চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, কারাগারে থাকা দণ্ডিত বন্দিদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে তাদের সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ সময় পিটিআই সিনেটর মোহসিন আজিজ কটাক্ষ করে বলেন, সরকার যুক্তরাজ্যে হাসপাতাল কিনেছে জেনে ভালো লাগছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর জবাবে তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, সরকার ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল বা প্রয়োজন হলে অন্য যেকোনো হাসপাতালের ব্যবস্থা করবে। তিনি আরও বলেন, যদি তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজন হয়, আমরা সেটিও করব। আমরা শুধু সুপ্রিম কোর্টের কাছে জানতে চেয়েছি, এই সুবিধা কি একজন ব্যক্তির জন্য নাকি অন্যদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
অন্যদিকে সিনেটের বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস বক্তব্য দিতে গিয়ে অভিযোগ করেন, দেশের ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং বন্দিদের সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। তিনি নওয়াজ শরিফের উদাহরণ টেনে বলেন, তখন মন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করেছিলেন।
পরবর্তীতে এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে তারিক ফজল চৌধুরী স্পষ্ট করেন যে, সুপ্রিম কোর্টের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা নয়। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালে ইমরান খানের জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা না পাওয়া গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের আইনি বিকল্প বিবেচনা করতে পারে, যার মধ্যে শিফা হাসপাতাল বা বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া বিরোধীদের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
পাকিস্তান সরকার বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রয়োজন হলে পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হতে পারে। খবর ডনের। এদিন উত্তপ্ত এক সিনেট অধিবেশনে দেশটির সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী ড. তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক আদালতের আদেশে দেয়া সুবিধা শুধু একজন বন্দী নাকি অন্য বন
পরবর্তীতে এক্সে দেয়া পৃথক এক বিবৃতিতে তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, ১৮ আগস্টের রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য আদালতের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা বা তা বাস্তবায়নে বাধা দেয়া নয়। বরং “শুধু এই আইনি বিষয়টি স্পষ্ট করা যে আদালতের সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট বন্দির মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাকি অন্য বন্দিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য