১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, লা লিগায় গোলের যে ঝড় তুলেছিল বার্সেলোনা, চ্যাম্পিয়নস লিগের মঞ্চেও তার কোনো ব্যতিক্রম হলো না। ইউরোপসেরা লড়াইয়ের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের আক্রমণের ধার দেখিয়ে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত দাপুটে এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই গোলের খাতা খোলে স্বাগতিক বার্সেলোনা। লামিনে ইয়ামালের বাড়ানো পাস ধরে বাঁ পায়ের দারুণ বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ফেইনুর্ডের জালে বল জড়ান রাফিনহা। দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণ থামায়নি কাতালানরা। ম্যাচের ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন করিম আদেয়েমি। জোয়াও ক্যান্সেলোর থ্রো-ইন থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ সাজায় বার্সা, যা ঠাণ্ডা মাথায় ফিনিশিং করে জালে পাঠান আদেয়েমি।
প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে বার্সেলোনা। স্বাগতিকদের ছন্দ ভাঙতে প্রথমার্ধে ফেইনুর্ড আটটি ফাউল করলেও গোলমুখে মাত্র একটি শট নিতে সক্ষম হয়। বিরতির পরও ম্যাচের চিত্রে কোনো বদল আসেনি। ৫৭ মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন রাফিনহা। তাঁর এই শটে মূলত ফেইনুর্ডের ম্যাচে ফেরার সব আশা শেষ হয়ে যায়।
ম্যাচের ৭৭ মিনিটে দেখা যায় অন্যতম আকর্ষণীয় গোলটি। নিজেই ফাউলের শিকার হওয়ার পর পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে নিখুঁত ও নিচু শটে বল জালে পাঠান ইয়ামাল। এরপর ৮২ মিনিটে গনসালো বোর্জেসের দ্রুতগতির ক্রস থেকে সেম স্টেইন ফেইনুর্ডের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। তবে ব্যবধান কমার আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি বার্সা। এর ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ ৮৫ মিনিটে ইয়ামালের নান্দনিক ক্রস থেকে দূরের পোস্টে চতুর হেডে গোল করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ফলে ৫-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় বার্সেলোনার। গোল ও অ্যাসিস্টে পাঁচ ভিন্ন খেলোয়াড়ের অবদান কাতালানদের দলীয় শক্তিরই প্রমাণ দিয়েছে।