দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে শুরু হওয়া প্রস্তুতি ম্যাচে স্বপ্নের মতো শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। উইকেটে দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় স্কোরবোর্ডে দ্রুত রান বাড়ছিল এবং মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের পথেই এগোচ্ছে। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বিনা উইকেটে ১০৮ রান তোলার পর হঠাৎ করেই ছন্দপতন ঘটে এবং একের পর এক উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায়। এই ব্যাটিং ধস আবারো বাংলাদেশের পুরোনো দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ছন্দপতন শুরু হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান আসে সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে। তিন নম্বরে নেমে মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও অন্য প্রান্ত থেকে সঙ্গ পাননি। ৬৩ বলে ৩৩ রান করে শেষ পর্যন্ত তিনিও সাজঘরে ফেরেন। এছাড়া মুশফিকুর রহিম মাত্র ৪ রান, জাকের আলী ৮ রান এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ৮ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের দুর্দশা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যখন মাত্র ৭৪ রানের ব্যবধানে ৬টি উইকেট হারায় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে নাঈম হাসানের ৩৬ ও তাইজুল ইসলামের ১৬ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ২৩৪ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোলারদের মধ্যে জুনাইদ ৩টি এবং উসাইদ ও হায়দার আলী ২টি করে উইকেট শিকার করেন। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। দলীয় ২৪ রানে লুকমানকে ফিরিয়ে দেন খালেদ আহমেদ। দিনের খেলা শেষে আরব আমিরাতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪ রান। স্বাগতিকরা বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ২০০ রানে পিছিয়ে আছে।