দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একটি দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা চরমপন্থাকে সরকার কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না। নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ যেন দিন শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন এবং পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। এই প্রত্যাশা পূরণের অংশ হিসেবেই পুলিশ বাহিনীকে আরও কার্যকর ও পেশাদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং দুর্নীতি দমন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী শাসনামলে প্রতি বছর দেশ থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যা সরকার চিহ্নিত করেছে। এই ধরনের দুর্নীতি যেকোনো মূল্যে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহিমূলক ও পেশাদার করে তোলার মাধ্যমেই এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।