জ্বালানি নিরাপত্তা নির্বিঘ্ন রাখতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে অনুমোদিত পরিমাণের বাইরে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল আমদানির যে লক্ষ্যমাত্রা আগে ছিল, তার অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আমদানির এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আরেকটি বড় প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। জিটুজি চুক্তির আওতায় চীনের ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং চীনের পেট্রোচায়না থেকে এই তেল আমদানি করা হবে। এই আমদানির জন্য মোট চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বুধবারের বৈঠকে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আগামী ১০ নভেম্বর একটি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার দরপ্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।