অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পণ্য আমদানি করছে। এর মধ্যে এয়ারক্রাফট, তেল ও সয়াবিনসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কমোডিটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ তেমন কিছু না পেলেও বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানির ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যেমন দৃঢ় হয়েছে, তেমনি এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। তিনি জানান, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হয়েছে, তবে এখন দেখার বিষয় বাস্তবে এই সহায়তা কীভাবে এবং কতটুকু পাওয়া যায়।
বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পাশাপাশি তিনি চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং দেশটির সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।
সরকারের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ এই লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যেতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বিনিয়োগই এখন তাদের অর্থনৈতিক নীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু।