দেশের বাইরে কোনো ধরনের বিনিয়োগ, ব্যাংকে অর্থ রাখা কিংবা বাড়ি-জমির সন্ধান দিতে পারলে তাৎক্ষণিকভাবে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। একই সঙ্গে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, দেশের বাইরে কোথাও যদি তার এক পয়সা বিনিয়োগ, ব্যাংকে টাকা রাখা, ভিলা কিংবা জমি তো দূরের কথা, একটা ধূলিকণারও প্রমাণ কেউ দিতে পারেন, তবে তিনি সাথে সাথে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও সরকার দেশের বাইরের রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সম্পত্তি খুঁজে বের করেছে। সরকারের এই সক্ষমতা রয়েছে এবং এটি কোনো জটিল বিষয় বা 'রকেট সায়েন্স' নয়।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধুয়ে দিয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিকভাবে কতটা দেউলিয়া হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে বানানো 'আজকের কণ্ঠ' নামের একটি ভুঁইফোঁড় ফেসবুক পেজের সাত মাস আগের পোস্ট কপি-পেস্ট করে অনুসন্ধান চালানো হয়। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৬ মাসে বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে এবং দেশ পরিচালনায় চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের সন্তানদের প্রকাশ্য দুর্নীতি থেকে মানুষের চোখ সরাতে এই নাটকের অবতারণা করা হয়েছে।
বর্তমান কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়ন নীতির সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ পোস্টে আরও লিখেছেন, বিরোধীদের দমনে বর্তমান প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপের সাথে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের পদ্ধতির আসলে কী পার্থক্য রয়েছে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:দেশের বাইরে কোথাও যদি আমার ১ পয়সা বিনিয়োগ/ব্যাংকে রাখা, ভিলা, জমি তো দূরের কথা একটা ধুলিকনারও প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে সাথে সাথে রাজনীতি ছেড়ে দিবো।
রাজনৈতিক ভাবে কতটা দেউলিয়া হইলে আপনারা এআই দিয়ে বানানো ভুঁইফোঁড় আজকের কণ্ঠের ৭ মাস আগের ফেসবুক পোস্ট কপি-পেস্ট করে অনুসন্ধান করতে পারেন?