বুন্দেসলিগার ইতিহাসে এক বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। আউগসবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর বাঁশি বাজার মাত্র আট সেকেন্ডের মাথায় গোল হজম করে বসে বাভারিয়ানরা। গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের মারাত্মক ভুলে এই দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি নিজের নামে লিখেছেন আউগসবুর্গ তারকা রবিন ফেলহাউয়ার। প্রভাবশালী জার্মান দৈনিক ‘বিল্ড’ তাদের স্টপওয়াচে সময়টি ৮.৪ সেকেন্ড বলে উল্লেখ করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত বায়ার্নের গোলকিক থেকে। সতীর্থ লুইস দিয়াজের দেওয়া সহজ ব্যাক-পাস নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন ৪০ বছর বয়সী নয়্যার। এরপর সামনে ছুটে আসা ফেলহাউয়ারকে ডজ দিতে গিয়ে বলটি দায়সারাভাবে চিপ করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু বলটি ফেলহাউয়ারের পিঠে লেগে রিবাউন্ড হয়ে তার কাছেই ফিরে আসে এবং ফাঁকা পোস্টে বল জড়িয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড। এর আগে বুন্দেসলিগার দ্রুততম গোলের যৌথ রেকর্ডটি ছিল ৯ সেকেন্ডের, যা করিম বেল্যারাবি (বায়ার লেভারকুজেন): ৯ সেকেন্ড (২৩ আগস্ট ২০১৪, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে) এবং কেভিন ভোলান্ডের দখলে ছিল।
তালিকায় থাকা অন্যান্য দ্রুততম গোলের মধ্যে রয়েছে উলফ কির্স্টেন (বায়ার লেভারকুজেন): ১১ সেকেন্ড (৩০ মার্চ ২০০২, ১. এফসি কাইজারস্লাউটার্নের বিরুদ্ধে)।
এছাড়া জিওভানে এলবার (বায়ার্ন মিউনিখ): ১১ সেকেন্ড (৩১ জানুয়ারি ১৯৯৮, হামবুর্গার এসভির বিরুদ্ধে) গোল করে এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিলেন।
নয়্যারের এই ভুল নিয়ে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এমন সূচনা মোটেও প্রত্যাশিত ছিল না। তবে ভুলের পর প্রতিক্রিয়া জানানোই আসল। বায়ার্নের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ম্যাক্স এবার্লও নয়্যারের অতিরিক্ত ঝুঁকির সমালোচনা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি নয়্যারের শেষ মৌসুম হতে পারে এবং তার উত্তরসূরি হিসেবে ইয়োনাস উর বিগকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ম্যাচটিতে বায়ার্ন সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও নয়্যারের আরেক ভুলে আবারও পিছিয়ে পড়ে তারা। ৫৫ মিনিটে ইসমায়েল সাইবারির গোলে বায়ার্ন সমতায় ফিরলেও, ৬৪ মিনিটে ক্যালভিন ব্র্যাকেলম্যানের দূরপাল্লার শট গ্লাভসে নিতে ব্যর্থ হলে রদ্রিগো রিবেরো গোল করে আউগসবুর্গকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে নাথানিয়েল ব্রাউনের গোলে ২-২ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ।
রবিন ফেলহাউয়ার (এফসি আউগসবুর্গ): ৮ সেকেন্ড (১০ অক্টোবর ২০২৬, বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে) ২.
কেভিন ভোলান্ড (টিএসজি হফেনহাইম): ৯ সেকেন্ড (২২ আগস্ট ২০১৫, বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে) ২.