প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার পারদ ক্রমাগত বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পালটাপালটি হামলার ঘটনাও ঘটেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিত হুমকি প্রদর্শন অব্যাহত রাখলেও তেহরান তাতে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না। উলটো ইরান কঠোর বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, প্রতিটি হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
তেহরানের শক্তিমত্তার প্রদর্শনী হিসেবে তাদের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র খেইবার, খোররামশাহর, সেজ্জিল, ফাত্তাহ ও খেইবার শেকানের নাম উঠে এসেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের কাছে আরও ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত থাকতে পারে। তেহরানের ইনকিলাব স্কয়ারে স্থাপিত একটি বিলবোর্ডে স্ট্যাচু অব লিবার্টির ভেঙে পড়ার দৃশ্য প্রদর্শন করে মার্কিন সাম্রাজ্যের পতনের প্রতীকী বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান বৈরিতারই বহিঃপ্রকাশ।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। ইতোমধ্যে জ্বালানি তেলের দাম হু-হু করে বাড়ছে। যুদ্ধের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধির মতো বহুমুখী সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।