মাগুরায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় দিনভর নানা নাটকীয়তার পর শনিবার সন্ধ্যায় নাঈমুজ্জামান নয়নকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তিনি শহরের ভায়না মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি এবং সাবেক সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি। পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় মারার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, শুক্রবার বিকেলে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য মোঃ ইমরান হোসেনকে থাপ্পড় মারেন নয়ন। এই ঘটনায় নয়নসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের ভাষ্যমতে, এই গ্রেপ্তারের ফলে পুলিশের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। উল্লেখ্য, নয়নের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি পিটিআই পাড়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের মব সৃষ্টি করে এক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, আটক নয়নের বড় ভাই ও যুবদল নেতা আব্বাস উদ্দিন নতুন দাবি করেছেন, শুক্রবার রাতে বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় পুলিশের সাথে ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি থানায় মীমাংসা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শনিবার দুপুরে পুলিশ তাকে পুনরায় থানায় ডেকে নিয়ে দিনভর বসিয়ে রাখে এবং সন্ধ্যায় মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখায়। নয়ন হার্টের রোগী উল্লেখ করে মানবিক কারণে তার মুক্তি দাবি করেছেন তার পরিবার।
মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান,শুক্রবার বিকেলে তুচ্ছ ঘটনায় পুলিশ সদস্য মোঃ ইমরান হোসেনকে শহরের ভায়না মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নের থাপ্পড় মারার ঘটনায় সেসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।