নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বজয়ের মহাকাব্যিক লড়াইকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে এই ফাইনাল ম্যাচটিকে ‘ন্যাশনাল স্পেশাল সিকিউরিটি ইভেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমর্থকদের বিমানবন্দরের মতো কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে হবে।
ম্যাচ শুরুর পাঁচ ঘণ্টা আগে থেকেই আকাশপথে হেলিকপ্টার টহলসহ হাজার হাজার সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকেই কর্মকর্তা, কর্মী ও সাংবাদিকেরা স্টেডিয়ামের বাইরে দীর্ঘ লাইনে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল ৯টায় গেট খোলার সময় সেই সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারে পৌঁছায়। স্টাফদের জন্য নির্ধারিত একমাত্র প্রবেশপথে অ্যাক্রেডিটেশন পাস স্ক্যানিংয়ের জন্য মাত্র দুজন কর্মী কাজ করছেন। এরপর ছয়টি এয়ারপোর্ট-মানের স্ক্যানার পার হয়ে ব্যক্তিগত শরীর তল্লাশির জন্য দর্শকদের আবারও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়ছেন না কেউ। এমনকি লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপকেও, যিনি এই বিশ্বকাপে জার্মান স্ট্রিমিং সার্ভিস ‘ম্যাজেন্টা’র বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন, দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। ৮২ হাজার ৫০০ টিকিটধারী দর্শকের সবাই এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে সময়মতো স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার অফিশিয়াল হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’-এ করে স্টেডিয়ামে পৌঁছাবেন। ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে তার।