আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১২টি ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে। জোহানেসবার্গে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে আসন্ন চতুর্দশ এই বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের আসরের যৌথ স্বাগতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের ৫৪টি ম্যাচের সিংহভাগ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি শহরে। শহরগুলো হলো জোহানেসবার্গ, সেঞ্চুরিয়ন, ডারবান, গেবেখা, কুগোম্পো সিটি, কেপ টাউন, পার্ল এবং ব্লুয়েমফন্টেইন। জিম্বাবুয়েতে ম্যাচ আয়োজনের জন্য তিনটি ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে হারারে স্পোর্টস ক্লাব, বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব এবং ভিক্টোরিয়া ফলসের মোসি-ওয়া-তুনিয়া। এছাড়া নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডকের নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডকে একমাত্র ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছে।
টুর্নামেন্টের বিন্যাস অনুযায়ী, জিম্বাবুয়েতে সাত থেকে দশটি ম্যাচ এবং নামিবিয়ায় অন্তত তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স অথবা কেপ টাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামকে ফাইনাল ম্যাচের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচগুলো বেনোনি ও পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী বছরের শুরুতে নামিবিয়াতে বাছাইপর্বের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাছাইপর্বের কোনো ম্যাচ রাখা হয়নি, কারণ সেই সময়ে দেশটিতে 'এসএ টি-টোয়েন্টি' টুর্নামেন্ট চলমান থাকবে।
ভেন্যু ঘোষণার পাশাপাশি আইসিসি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্র্যান্ড 'মেইক দ্য সার্কল বিগাট' এবং থিম 'থ্রি নেশনস, ওয়ান হার্টবিট' উন্মোচন করেছে। অনুষ্ঠানে গ্রায়েম স্মিথ, মাখায়া এনটিনি, হাশিম আমলা, টেম্বা বাভুমা, কাগিসো রাবাদা, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও রুডলফ ইয়ানেস ভ্যান ভারেনের মতো ক্রিকেট তারকারা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত তারিখ এখনো ঘোষণা করা না হলেও, আগামী বছরের ৪ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বরের মধ্যে টুর্নামেন্টটি মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল, তবে নামিবিয়া এবারই প্রথম যৌথ আয়োজক হিসেবে যুক্ত হলো।
বিশ্বের ১৪টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৭ ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১২টি ভেন্যু আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
জিম্বাবুয়েতে ৭ থেকে ১০টি ম্যাচ এবং নামিবিয়ায় অন্তত ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।