মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে পর্দা নেমেছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ব্যয়বহুল বিশ্বকাপের। মাঠের লড়াইয়ে বিশ্বজয়ের শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি এবার অংশ নেওয়া দলগুলোর জন্য ছিল রেকর্ড অর্থের ঝনঝনানি। বিশ্বকাপ শুরুর প্রায় দুই মাস আগেই ফিফা প্রাইজমানি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল। ৪৮ দলের এই আসরে যাতে কোনো দলই লোকসানের মুখে না পড়ে, সেজন্য প্রাইজমানি ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে দলগুলোর জন্য মোট ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার বা প্রায় ১০ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩.১২ টাকা হারে) প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতা স্পেন আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। তারা প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ৫ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা। রানার্সআপ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা। এছাড়া ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ড পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা এবং চতুর্থ স্থানে থাকা ফ্রান্স পেয়েছে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার বা ৩৩২ কোটি টাকা।
সেমিফাইনালের বাইরে থাকা দলগুলোর ক্ষেত্রেও প্রাইজমানির সুনির্দিষ্ট হিসাব রয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়া চারটি দল পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ২৩৩ কোটি টাকা। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া আটটি দল পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১৮৪ কোটি টাকা। এছাড়া শেষ ৩২ দলের রাউন্ড থেকে বাদ পড়া ১৬টি দল প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ১৩৫ কোটি টাকা করে।
গ্রুপ পর্ব খেলে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও রয়েছে সান্ত্বনা পুরস্কার। এ পর্বের প্রতিটি দল পাবে ৯০ লাখ ডলার বা প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এর বাইরে বিশ্বকাপের শুরুতে প্রতিটি দলকে প্রস্তুতি, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে দিয়েছিল ফিফা।