গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছিল, তখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা। তবে প্রায় আট মাসের ব্যবধানে এই যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি ও প্রেক্ষাপট আমূল বদলে গেছে। বর্তমানে নতুন নতুন রণক্ষেত্র তৈরি হওয়ার পাশাপাশি উভয় পক্ষের ওপরই অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি ও রাজনৈতিক চাপের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতির অন্যতম প্রধান সংঘাতকেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে হরমুজ প্রণালী। আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি এখন চরম অস্থিরতার মুখে। এই রুটে জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন জাহাজ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ইরানের ধারাবাহিক হামলার পাশাপাশি ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধের ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।