প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম। জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ চুইয়ে পড়া বৃষ্টির পানিতে মেইন মেকানিক্যাল প্ল্যান্টের (এমএমপি) প্রায় ২০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার নিচেই অবস্থিত এই এমএমপি কক্ষে ভবনের কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, জিআইএস প্যানেল, ছয়টি জেনারেটর, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন এবং সেন্ট্রাল স্টোর রুম রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ থেকে পানি পড়ে এই কক্ষটি প্লাবিত হয়ে পড়ে, যা থেকে বড় ধরনের শর্টসার্কিট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বর্তমানে এই দামি যন্ত্রপাতির ওপর অস্থায়ীভাবে টিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। সংসদ ভবনের বিভিন্ন ভবনের ছাদ পানি প্রতিরোধী করার কাজ চলছে এবং গ্লাস ব্রিকসের জয়েন্টগুলো মেরামতের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নানাবিধ অব্যবস্থাপনার কারণে স্থপতি লুই আই কানের নকশায় তৈরি জাতীয় সংসদ ভবনটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া সংসদ ভবনের প্রবেশপথগুলোর মধ্যে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বকুলতলা গেটও সামান্য বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়।
সদ্য সমাপ্ত বাজেট অধিবেশনে সরকারি দলের হুইপ জিকে গউছ বিষয়টি স্পিকারের নজরে আনেন। তিনি জানান, ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার কারণে ভবনের মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও অধিবেশনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনিও তার নিজের ঘরে ঘুমাতে গেলে ছাদের নিচে বালতি দিয়ে রাখেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংসদ ভবনের সব সমস্যা চিহ্নিত করে সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং কাজ শুরু হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সংসদে জানিয়েছেন যে, সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত এর প্রতিকার করা হবে। মন্ত্রণালয় মেরামতের কাজ শুরু করলেও তা ধীর গতিতে চলায় অসন্তোষ রয়েছে। মূল ভবন ছাড়াও সংসদের দক্ষিণ প্লাজা, ভিআইপি বাংলো, মন্ত্রী হোস্টেল, পুরাতন সংসদ-সদস্যদের হোস্টেল ও সচিব হোস্টেলের অবস্থাও একই রকম বলে জানা গেছে।
সদ্য সমাপ্ত বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি প্রথম সংসদের নজরে আনেন সরকারি দলের হুইপ জিকে গউছ। তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি দিয়ে রাখা হয়েছে। কারণ ছাদ চুইয়ে অনবরত বৃষ্টির পানি ভেতরে পড়ে। এই অধিবেশনে আমরা ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট অনুমোদন করেছি। সেখানে মসজিদসহ ভেতরের এই করুণ দশ