সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের সরদারপাড়ায় অবস্থিত পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধের ইটের সড়ক সংলগ্ন মরয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর বাড়ির সামনে নতুন কবরটি খোঁড়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার আগেই কবর খোঁড়ার কাজ শেষ হয় এবং আশপাশে খেজুর গাছের ডাল ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
মরদেহের অপেক্ষায় থাকা স্বজনরা জানিয়েছেন, মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স পদ্মা সেতু হয়ে খুলনার কয়রা দিয়ে পৌঁছাবে। এরপর কাশিরহাটখোলা খেয়াঘাট থেকে ট্রলারে করে মরদেহ গাবুরায় নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে রাত ১২টা নাগাদ মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহের সঙ্গে আসা নয়জন স্বজনের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করে রাখা হয়েছে। মরদেহ পৌঁছানোর পরপরই দ্রুততম সময়ে গোসল, জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
মরয়মের চাচি মুন্নী খাতুন জানান, তার স্বামী মিলন সরদার প্রবাসে থাকায় বাড়িতে তিনিই দাফনের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। বাড়িতে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুল রহমানকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে, তবে ওবায়দুল রহমান পলাতক রয়েছেন।