বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে এবং আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে মার্কিন বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অ্যামচেমের নতুন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তারা বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘ভিসা’র এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাতে ভিসা তাদের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেন সহজতর করার লক্ষ্যে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা ও এক্সপ্রেসওয়েসহ সরকারি বিভিন্ন সেবামূলক ব্যবস্থায় ‘ভিসা’ কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে ভিসার একটি প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার বা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের জন্য প্রতিনিধিদলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তির প্রসারে বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানান। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিসার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্টিফেন কার্পিন জানান, বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও দ্রুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারে ভিসা আগ্রহী। এছাড়া ব্যাংকিং কার্ডের আওতার বাইরে থাকা মানুষদের ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করা এবং ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় সহজে দেশে আনার ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। গত ১১ আগস্ট তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসা স্টিফেন কার্পিনের সঙ্গে এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীকে অ্যামচেম নতুন কমিটি জানিয়েছেন, তারা দায়িত্ব নেয়ার পরে বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বর্তম